খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: 4শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ১৯ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
রাজধানীর সাভারে প্রবাসীর বাড়িতে হামলার অভিযোগে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. আসাদুল হক দুলালের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ডাকাতি, হত্যাচেষ্টা, লুটপাট ও অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাতে আশুলিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন কানাডা প্রবাসী মরিয়ম ইয়াসমিন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ওই চিকিৎসক বলেছেন, তার নিজের কেনা জমি দখল করে রেখে মিথ্যা মামলা করেছে।
প্রবাসী মরিয়ম ইয়াসমিনের অভিযোগ, আশুলিয়া থানাধীন দক্ষিণ গাজীর চট এলাকায় তার বাসভবনে একাধিকবার দুলালের নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত এক মাসে তিনবার প্রবাসীর বাড়িতে হামলা হয়েছে। হামলায় ব্যবহার হয়েছে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র। সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। সর্বশেষ ১৬ জুলাই দুলালের নেতৃত্বে বাহিনী বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ব্যাপক বোমাবাজি, গুলি, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়।
মামলায় আরও আসামি করা হয়েছে ডা. দুলালের অনুসারী দেলোয়ার, ছোট নূরা, বাবু, ফরিদ, বড় নূরা ও শাহাদাতকে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং গণি জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আসাদুল হক দুলাল বলেন, আমি একজন এমবিবিএস ডাক্তার। আমার নিজের টাকায় কেনা জমিতে যেতে পারছি না। সরকারের লোকজন জমিটা দখলে রেখে উল্টো আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এই সরকারের একজন ডিআইজি এবং এসপিসহ ওপর মহলের কিছু লোকজন চাপ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মামলা নিতে বাধ্য করেছে। আমি এই মিথ্যা মামলার নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোকলেছুর রহমান ইলিয়াস শাহী বলেন, জমি মালিকানা প্রমাণ কাগজে। আমি যতটুকু জানি দুলাল ডাক্তার জমির প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে বায়না করেছে। আপনারা তার কাগজপত্র দেখেন এবং যেটা সত্য সেটাই তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, “দুলাল ডাক্তার স্থানীয়ভাবে সন্ত্রাসী ও দখলবাজ হিসেবে পরিচিত। ৫ আগস্টের পর রাজনীতির প্রভাব খাটিয়ে সে আবারও এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। প্রবাসীর খামারে সাম্প্রতিক হামলার পর তিনি পালিয়ে গেছেন। তাকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।”
খবরওয়ালা/এমইউ