খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
নগর পরিবহনব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে ডিটিসিএ র্যাপিড পাস ব্যবস্থার সঙ্গে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড সংযুক্ত করার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। এতে যাত্রীরা তাদের ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে সহজেই মেট্রো রেলে টিকিটিং সুবিধা পাবেন, ফলে আলাদা কার্ডের ঝামেলা কমবে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারের লক্ষ্য র্যাপিড পাসকে সর্বব্যবহারযোগ্য স্মার্ট কার্ডে রূপান্তর করা, যা শুধু পরিবহনে নয়, ভবিষ্যতে আর্থিক সেবাতেও ব্যবহৃত হতে পারে। এজন্য সনি ফেলিকা চিপব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।
নিচে র্যাপিড পাস ও ব্যাংক কার্ড সংযোগের সম্ভাব্য সুবিধা তুলে ধরা হলো:
| সুবিধা | ব্যাখ্যা |
|---|---|
| একীভূত টিকিটিং | আলাদা কার্ডের প্রয়োজন কমবে |
| খরচ কমানো | র্যাপিড পাস কার্ড তৈরির সরকারি ব্যয় হ্রাস |
| প্রযুক্তিগত অগ্রগতি | ডুয়াল ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহারের সুযোগ |
| বেশি গ্রহণযোগ্যতা | সব ব্যাংক কার্ডের ব্যবহার |
ডিটিসিএ জানায়, ইসলামি ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক ইতোমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে, ক্লিয়ারিং হাউস প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় বন্ধ থাকার কারণে এনএফসি সুবিধা যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবুও নিজস্ব সক্ষমতায় অনলাইন রিচার্জ সুবিধা চালু রাখা হয়েছে।
২০১৮ সালে র্যাপিড পাস চালু হলেও ২০২৩ সালে এমআরটি লাইন–৬ শুরু হওয়ার পর এর ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পায়। নতুন পাঁচটি এমআরটি লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা থাকায় ভবিষ্যতে কার্ডের চাহিদা আরও বাড়বে।
খবরওয়ালা/এএসএন