খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে নিজ বাড়িতে মুক্তা বেগম নামের এক গৃহবধূকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের বারৈজঙ্গল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন ভেদরগঞ্জ থানার ওসি পারভেজ আহমেদ।
নিহত মুক্তা বেগম ওই এলাকার মান্নান গাজীর স্ত্রী।
ওসি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় নিহতের রক্তাক্ত দেহ খাটের ওপর পড়ে আছে। আর তার মাথা খাটের নিচে ঝুলছে। ধারাল অস্ত্রের আঘাতে তার গলার রগ কেটে গেছে, যা মৃত্যুর কারণ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতের স্বামী মান্নান গাজী দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি দেশে এসেছেন। মঙ্গলবার রাতে তারাবির নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে গিয়েছিলেন তিনি। নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে দেখেন স্ত্রীর গলাকাটা নিথর দেহ পড়ে আছে খাটের ওপর। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ডাকাত ঢুকেছে বলে ঘোষণা দেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মান্নান গাজী বলেন, আমি নামাজে গেছিলাম। নামাজ পইড়া আইয়া দেহি মুক্তা নাই। এমন কইরা মাইনষে মাইনষেরে মারে না। আমার এই ক্ষতি কেডা করল? কিয়ের লাইগা করল। যারা যারা মুক্তারে মারছে আমি ওগো বিচার চাই, ওগো ফাঁসি চাই।
এ বিষয়ে ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আহমেদ বলেন, নিহতের গলার সামনে ও পেছনে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গলার রগ কেটে যাওয়ায় তিনি মারা গেছেন। এটি ডাকাতির ঘটনা কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এ ঘটনার জন্য ফরিদপুর থেকে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট এসেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
খবরওয়ালা/এমইউ