খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
শেরপুর সদর উপজেলায় জামায়ত ইসলামের গণসংযোগ চলাকালীন বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৫-২০ জন আহত হয়েছেন।
গুরুতর অবস্থায় দুজন—জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম স্বপন ও পৌরসভার ওয়ার্ড সভাপতি রাকিব—শেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
ঘটনা ঘটে শুক্রবার জুমার নামাজের পর চরপক্ষিমারী ইউনিয়নের ডাকপাড়া এলাকায়। শেরপুর ১ (সদর) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, গণসংযোগ করতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দিয়ে লাঠিসোঠা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তিনি বলেন, “আমাকে সেইফ করতে শহর সেক্রেটারি ডা. হাসানুজ্জামান প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। না হলে আমার ওপরও হামলা হতো।”
জামায়াত ইসলামের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেরপুর জেলা বিএনপির ছাত্রদল শহরে প্রতিবাদ মিছিল করে। পরে শেরপুর প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম হামলার ঘটনা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বলেন, “জামায়াত পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মসজিদে সমবেত হয় এবং মিছিল করে। এলাকাবাসী বাধা দিলে তারা এলাকা ছাড়ে। পরে অবৈধভাবে থানা ঘেরাও করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। দলের কোনো নেতাকর্মী যদি জড়িত থাকে, সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুবায়দুল আলম জানান, জামায়াত নেতারা মৌখিকভাবে ঘটনা জানিয়েছে, তবে লিখিত অভিযোগ এখনও পাননি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে।
খবরওয়ালা/আশ