খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় জুলাই সনদের বৈধতা ও সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য পরীক্ষা করার দাবিতে নতুন রিট দায়ের করা হয়েছে। এই রিটে সনদের কার্যকারিতা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেছেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটে নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদের স্পিকার, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সচিব সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।
আইনজীবী জানান, আগামী সপ্তাহে রিচারপতি রাজিক আল জলিল নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটির ওপর শুনানি করতে পারে। তিনি বলেন, “আমরা চাই সুপ্রিম কোর্ট দ্রুত সিদ্ধান্ত দিয়ে জনস্বার্থ রক্ষা করুন। জাতীয় সনদ যদি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, তা অবিলম্বে বাতিল হওয়া প্রয়োজন।”
এদিকে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি গণভোটের ফল বাতিল চাওয়ার রিট ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে দায়ের করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। এই রিটগুলোতে জাতীয় সনদ এবং গণভোটের প্রক্রিয়া উভয়ই নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| রিট দায়েরকারি | অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ |
| বিবাদী | নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদের স্পিকার, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সচিব |
| শুনানির সম্ভাব্য তারিখ | আগামী সপ্তাহ |
| আদালত | হাইকোর্ট বেঞ্চ, রিচারপতি রাজিক আল জলিল নেতৃত্বে |
| অতীত রিট | ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট বৈধতা চ্যালেঞ্জ, ১৩ ফেব্রুয়ারি ফল বাতিল চাওয়া রিট |
| অতীত রিট দায়েরকারী | এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ |
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতীয় জুলাই সনদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে তা রোধ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করছেন, সনদ কার্যকর থাকলে তা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তাই রিটটির দ্রুত নিষ্পত্তি জনস্বার্থের জন্য অত্যাবশ্যক।
বর্তমানে জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিতের দাবি এবং গণভোটের বৈধতা যাচাইয়ের রিট একত্রে বিচারাধীন থাকায় আদালতের সিদ্ধান্ত দেশের সংবিধান ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
এই রিট প্রক্রিয়া বাংলাদেশের সংবিধান রক্ষা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে ধরা হচ্ছে।