খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দুবাই: সুইডিশ পপ তারকা Zara Larsson সম্প্রতি তার ব্যক্তিগত মিউজিক পছন্দের বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া Etihad Airways Abu Dhabi Grand Prix-এর উদ্বোধনী কনসার্টে প্রধান পারফর্মার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি।
Cosmopolitan-এ প্রকাশিত এক ভিডিওতে লারসনকে প্রশ্ন করা হয়, কোন কোন শিল্পী কখনো তার Spotify প্লেলিস্টে থাকবেন না। সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্টভাবে জানালেন যে, কিছু শিল্পীর গান তিনি Spotify-তে ব্লক করে রাখেন। তিনি বলেন,
“আমার অনেক শিল্পী আছে যাদের আমি Spotify-তে ব্লক করেছি, এবং তাদের সবাই আচরণে সমস্যাজনক। যেমন, আপনি কখনো আমার প্লেলিস্টে ক্রিস ব্রাউনের গান পাবেন না।”
ক্রিস ব্রাউন (Chris Brown) হলেন একাধিক প্ল্যাটিনাম অর্জনকারী R&B শিল্পী, যার ক্যারিয়ার বাণিজ্যিক সাফল্য ও আইনি বিতর্কে পরিপূর্ণ। সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ঘটে ২০০৯ সালে, যখন তিনি গায়িকা রিহানার সঙ্গে ঘটে যাওয়া গৃহস্থালির সহিংসতার ঘটনায় ফেলারি অ্যাসল্টে দায়ী স্বীকার করেন। সেই মামলায় তিনি প্রোবেশন ও কমিউনিটি সার্ভিসের শাস্তি পান, যা সঙ্গীত শিল্পে ব্যক্তিগত দায়িত্ব ও আচরণ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার জন্ম দেয়।
এতবাধ বিতর্কের মধ্যেও ব্রাউন নিয়মিত গান প্রকাশ করে আসছেন এবং বৈশ্বিকভাবে বিশাল ফ্যান বেস বজায় রেখেছেন। তবে লারসনের মন্তব্য এই বিতর্কিত ইতিহাসের আলোকে নয়, বরং তার ব্যক্তিগত শ্রবণ অভ্যাসের অংশ হিসেবে এসেছে। Cosmopolitan-সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেননি।
নিচের টেবিলে লারসনের ব্লক করা শিল্পীদের ও তাদের মূল বিতর্ক সংক্ষেপে দেখানো হলো:
| শিল্পীর নাম | মূল বিতর্ক / কারণ | Spotify-এ অবস্থান |
|---|---|---|
| Chris Brown | গৃহস্থালির সহিংসতা, ২০০৯ | ব্লক করা |
| অন্যান্য অজ্ঞাত | আচরণগত সমস্যার অভিযোগ | ব্লক করা |
লারসনের এই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকে সমর্থন জানাচ্ছেন যে, শিল্পীর ব্যক্তিগত আচরণ বিবেচনা করেই শ্রোতাদের প্লেলিস্ট গঠন করা উচিত, আবার কিছু মনে করছেন যে, শিল্পীর কাজ ও ব্যক্তিগত জীবন আলাদা বিষয়।
এভাবে লারসনের স্পষ্ট অবস্থান দেখাচ্ছে, তিনি তার শ্রোতাদের কাছে একটি নৈতিক দৃষ্টিকোণ তুলে ধরছেন, যেখানে ব্যক্তিগত আচরণ সঙ্গীতের সাথে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তার এই উদ্যোগ কেবল ব্যক্তিগত পছন্দ নয়, বরং শিল্পীদের দায়িত্ব ও আচরণ নিয়ে একটি সামাজিক বার্তা হিসেবেও দেখা যেতে পারে।