নিজস্ব প্রতিনিধি,কুষ্টিয়া
প্রকাশ: সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
কুষ্টিয়ার মঙ্গলবাড়িয়া এলাকার জিকে খালের পাশে ক্রয়কৃত জমি ভোগদখলে গেলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে লিটন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পরে ভুক্তভোগি কুষ্টিয়া মডেল থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
তথ্য সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া শহরের কমলাপুরের মৃত রমজান প্রামাণিকের ছেলে মাসুদ রানা লালন ৮নং মঙ্গলবাড়ীয়া মৌজার খারিজ খতিয়ান ৭০৭, হোল্ডিং নং ১৪৬৫, ২৬৪ নং আর এস দাগে ৮ শতকের মধ্যে ৪ শতক জমি ক্রয় করেন। তার ক্রয়কৃত চার শতক জমির প্রকৃত মালিক পশ্চিম মজমপুর আলফামোড় এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের সন্তানেরা।
২০১৮ সালে মাসুদ রানা লালনের নিকট এই চার শতক জমি বিক্রি করেন মৃত আব্দুল আজিজের সন্তানেরা। জমির দলিল সূত্রে জানা যায়, মৃত আব্দুল আজিজের ৫ ছেলে ও ৫ মেয়ে পিতার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত এই জমি নিজ নামে খারিজ করে তা বিক্রি করেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মাসুদ রানা লালন বলেন, আমি ৭বছর আগে উক্ত জমি ক্রয় করে আমার জমির কাগজপত্রাদি অনুযায়ী বুঝিয়া নিতে গেলে শহরের কমলাপুর গীর্জানাথ মজুমদার সড়কের বাসিন্দা মৃত ভেগলার ছেলে লিটন আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে। আমার জমির কিছু অংশ লিটনের ফুফা পান্না, ফুফু নাছু বেগম দখল করে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগী মাসুদ রানা লালন আরো বলেন, মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে ও মেয়েদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করে ভোগ দখলে যাওয়ার চেষ্টাকালে একের পর ঝামেলার সৃষ্টি হয়। গত ১৮ এপ্রিল স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আমার ক্রয়কৃত নিজ নামীয় জমি মাপজোক করে বুঝিয়া নিতে গেলে বাধাপ্রাপ্ত হই। এসময় জমি মাপজোকের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে অকথ্য ভাষায় আমাকে গালিগালাজ করা হয়। আমি নিরুপায় হয়ে আমার জমির ভোগদখল ফিরে পেতে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কুষ্টিয়া মডেল থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
এদিকে ভুক্তভোগী মাসুদ রানা লালনের অভিযোগের বিষয়টি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পার্থ প্রতীম শীল নিশ্চিত করে বলেন, উক্ত বিষয়ে খোঁজ নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া কুষ্টিয়া মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশাররফ হোসেন অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং তিনি বলেন, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কোর্টের অনুমতি পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
খবরওয়ালা/এমবি