খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২ মে ২০২৫
কাশ্মীর সীমান্তে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মাঝেই ভারতকে কৌশলগত বার্তা দিতে বড় ধরনের যুদ্ধ মহড়া চালাচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মহড়াটি শুধু সামরিক প্রস্তুতির অংশ নয়, বরং একটি ভূরাজনৈতিক বার্তা—যা প্রতিবেশী ভারতের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত রেডিও পাকিস্তানের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, ১ মে থেকে শুরু হওয়া মহড়াটি সিয়ালকোট, নারোওয়াল, জাফরওয়াল ও শাকরগড়সহ একাধিক কৌশলগত অঞ্চলে চলছে। এতে ট্যাংক, কামান, হালকা ও ভারী অস্ত্রসহ পদাতিক বাহিনী অংশ নিচ্ছে। সেনাবাহিনী জানায়, যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় পাকিস্তান সর্বোচ্চ প্রস্তুত এবং “দাঁতভাঙা জবাব” দিতে সক্ষম।
পাকিস্তানের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতীয় রাফায়েল যুদ্ধবিমানের কাশ্মীর সীমান্তে টহলের পরপরই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এই প্রতিক্রিয়া এসেছে। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (PAF) দ্রুত প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় যুদ্ধবিমানগুলো পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মহড়ার লক্ষ্য কেবল প্রস্তুতি নিশ্চিত করা নয়, বরং ভারতের প্রতি একটি শক্ত বার্তা পৌঁছে দেওয়া যে,”যুদ্ধের হুমকি থাকলে তার জবাব মাঠেই দেওয়া হবে।”
এছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাতৃভূমির নিরাপত্তায় পাকিস্তানের সৈনিকরা সর্বোচ্চ ত্যাগে প্রস্তুত এবং এই মহড়ার মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
তবে বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের এমন পাল্টাপাল্টি কৌশল একসময় বড় ধরনের উত্তেজনার দিকে গড়াতে পারে, যদি কূটনৈতিক সংলাপের পথ অবরুদ্ধ থাকে।
খবরওয়ালা/আশ