নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
কুড়িগ্রাম ও খাগড়াছড়ি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ‘পুশইন’ করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে চাপে ফেলতে ভারতের একটি কৌশলগত চাল।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ভারত দীর্ঘদিনের অনুগত স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর কূটনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই পুশইন সেই চেষ্টারই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ, যা প্রতিবেশীসুলভ আচরণ এবং রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারের সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের মতে, এই পুশইন কেবল অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়, বরং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিরও অবমাননা। তারা বলেছে, ভারতের এই ‘অপকৌশল’ প্রতিহত করতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কূটনৈতিক প্রতিবাদ, জাতিসংঘসহ আঞ্চলিক সংস্থায় অভিযোগ জানানো এবং জাতীয় পর্যায়ে তথ্যভিত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।
সংগঠনটি সরকারের কাছে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে এবং বলেছে, পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের আলোকে আচরণ করতে হবে। তবে ভারতের কৌশলকে ‘মানবিকতার’ নামে আড়াল করা যাবে না। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও গোয়েন্দা বিশ্লেষণ বাড়িয়ে এ ধরনের ঘটনা রোধ করতে হবে।
বিবৃতিতে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন বাংলাদেশের জনগণকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানিয়েছে।
খবরওয়ালা/আরডি