খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
চট্টগ্রামের রামুতে বাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ জুন) সকালে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামুর রশিদনগর ধলিরছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হাবিবুল্লাহ ও তার ছেলে রিয়াদ পিএমখালীর দক্ষিণ পাতলী এলাকার বাসিন্দা।
নিহত রিমঝিম বড়ুয়া (২৩) রামু পূর্ব রাজারকুলের হিমাংশু বড়ুয়ার মেয়ে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
পিএমখালী ইউপির দক্ষিণ পাতলি এলাকার সদস্য ও নিহত হাবিবউল্লাহর ফুফাতো ভাই গিয়াস উদ্দিন জানান, হাবিবুল্লাহ পিএমখালীর দক্ষিণ পাতলী এলাকার বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে রামুর চৌমুহনিতে হাবিব বস্ত্র বিতান নামে কাপড়ের দোকান করতেন। ঈদের ছুটি শেষে রিয়াদকে হাটহাজারি মাদরাসায় নিয়ে যাচ্ছিলেন হাবিবুল্লাহ। কিন্তু পথিমধ্যেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলে নিহত হল।
পুলিশ, স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সোমবার সকালে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা পূরবী পরিবহনের একটি বাসে রামুর কাউন্টার থেকে ওঠেন রিমঝিম বড়ুয়া, হাবিবুল্লাহ ও ছেলে রিয়াদসহ আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী। তাদের বহন করা গাড়িটি উপজেলার রশিদনগর জেটিরাস্তার মাথা মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক হতে আসা কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খেই হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে বাসটি রাস্তার পাশের খাদে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন তিনজন। আহত অবস্থায় যাত্রী, চালক, হেলপারসহ আনুমানিক ২৫ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিক ও বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে নিহতরা রিমঝিম, হাবিবুল্লাহ ও রিয়াদ বলে শনাক্ত হয়।
রামু থানার ওসি তৈয়বুর রহমান জানান, খবর পেয়ে থানা ও হাইওয়ে পুলিশ এবং দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়। তারা মরদেহগুলো উদ্ধার করে। আহতদের পুলিশ ও স্থানীয়রা বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গাড়ি দুটি জব্দ করেছে হাইওয়ে পুলিশ।
খবরওয়ালা/এমইউ