মঙ্গলবার, ২ই জুন ২০২৬, ১৯শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২ই জুন ২০২৬, ১৯শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু

অর্থ-বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ বাড়তি শুল্কের চাপ সামলাবে কে

খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: শনিবার, ২ আগস্ট ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ বাড়তি শুল্কের চাপ সামলাবে কে

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতির জেরে বাংলাদেশের রপ্তানী খাত আবার বড় ধাক্কার মুখে। হোয়াইট হাউসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর এখন থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ ‘পাল্টা শুল্ক’ যুক্ত করা হয়েছে অতিরিক্তভাবে। বাকি ১৫ শতাংশ ছিল পূর্বের প্রচলিত হার।

অর্থনীতিবিদদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী মহল থেকেও বলা হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কনীতি বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিশেষ করে রপ্তানী খাতে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। 

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানীকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, বাড়তি এই ২০ শতাংশ শুল্ক আমদানিকারক ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকেই দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, গত এপ্রিলে প্রথম দফায় সব দেশের ওপর ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কার্যকর করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। সেই সময় অনেক ক্রেতা খরচ ম্যানেজ করলেও, কিছু প্রতিষ্ঠান আমাদের সদস্যদেরও সেই শুল্ক ভাগাভাগি করতে বাধ্য করেছে। আমি এখন স্পষ্ট করে বলতে চাই—বাড়তি এই শুল্ক আমদানিকারক ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকেই দিতে হবে। শেষ পর্যন্ত তারা সেটি মার্কিন ভোক্তার ওপরই চাপাবে।

বিজিএমইএ সভাপতি সতর্ক করে বলেন, ‘বাড়তি শুল্কের কারণে কিছুটা ব্যবসা কমতে পারে। মার্কিন ক্রেতাদের আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হবে, যা তাদের মূলধনের ওপর চাপ তৈরি করবে। তারা যদি বাড়তি অর্থায়ন নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে নতুন ক্রয়াদেশ কমে যেতে পারে। শুল্কের কারণে পণ্যের দাম বাড়লে মার্কিন ভোক্তারাই চাপে পড়বেন, ফলে বিক্রি কমে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকবে।’

মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, ‘গত তিন মাস ধরে আমরা এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলাম। এই অনিশ্চয়তা ব্যবসা পরিচালনার জন্য কঠিন পরিবেশ তৈরি করেছিল। এখন শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তে স্থিতিশীলতা ফিরবে।’

তিনি বলেন, মার্কিন ক্রেতারাও এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। শেষ পর্যন্ত শুল্ক হার কিছুটা কমানোয় আমদানি ব্যয় কমবে এবং বাজারে আস্থার পরিবেশ তৈরি হবে। ‘প্রতিযোগী দেশের তুলনায় যদি আমাদের পণ্যে শুল্ক বেশি হয়, তাহলে প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে পড়ে। এখন পাকিস্তানের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি হলেও, ভারতের চেয়ে আমাদের শুল্ক ৫ শতাংশ কম। চীনের তুলনায় তো ১০ শতাংশ কম—এটি আমাদের জন্য বড় স্বস্তির।’

বাংলাদেশের পোশাক খাতে কী প্রভাব ফেলবে?

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম প্রধান বাজার। এই বাজারে যদি শুল্কহার বাড়ে, তাহলে পোশাক রপ্তানীতে কিছু স্পষ্ট প্রভাব পড়বে—

১। মূল্য প্রতিযোগিতা কমে যাবে

যুক্তরাষ্ট্র এখন বাংলাদেশের পোশাকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করছে। আগামী ৮ আগস্ট থেকে এই হার বেড়ে ৩৫ শতাংশ গিয়ে দাঁড়াবে। এতে করে সেখানে নতুন এই হার পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেবে। ফলে ক্রেতারা বাংলাদেশের তুলনায় ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া বা মেক্সিকোর মতো দেশের সস্তা পোশাকের দিকে ঝুঁকতে পারে।

ধরা যাক, আগে যুক্তরাষ্ট্রে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত একটি শার্টের দাম ছিল ১০ ডলার। আমদানিকারক তখন গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক দিতো। এখন নতুন করে ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপের ফলে মোট শুল্ক দাঁড়াবে ৩৫ শতাংশ। সেই শার্টের দাম এখন ১৩ ডলার বা তার বেশি হতে পারে।

এর প্রভাব বাজারে মূল্যস্ফীতির মাধ্যমে বোঝা যাবে। বিদেশি পণ্যের দাম বাড়লে পুরো বাজার ব্যবস্থাই প্রভাবিত হয়। মধ্যবিত্ত ক্রেতা থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাবে।

২। ক্রেতার খরচ বাড়বে

যুক্তরাষ্ট্রে খুচরা পর্যায়ে পোশাকের দাম বাড়তে পারে। তবে এই বাড়তি শুল্ক সরাসরি আমদানিকারক বা ব্র্যান্ডদের ওপর চাপলেও তারা সেটি পুশ করে দিতে পারে বাংলাদেশের সরবরাহকারীর ওপর—ছাড় চেয়ে বা অর্ডার বাতিল করে।

৩। রপ্তানী আদেশ কমে যেতে পারে

বেশ কিছু ব্র্যান্ড ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠান হয়তো নতুন করে বাংলাদেশের অর্ডার কমিয়ে দিতে পারে। কেউ কেউ হয়তো অর্ডার অন্য দেশে সরিয়ে নেবে। এতে করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর অর্ডার বুক কমে যেতে পারে।

৪। চাপ বাড়বে শ্রমিক-কর্মসংস্থানে

যদি অর্ডার কমে যায়, তাহলে অনেক কারখানায় উৎপাদন হ্রাস পেতে পারে। এতে চাকরিচ্যুতি, শ্রমিকদের ছাঁটাই বা ওভারটাইম বন্ধের মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

৫। কারখানাগুলোতে নগদ প্রবাহে টান

শুল্ক বৃদ্ধির কারণে অনেক কারখানার রপ্তানী আয়ের পরিমাণ কমে যেতে পারে। এতে করে ঋণ পরিশোধ, মজুরি পরিশোধ বা কাঁচামাল আমদানিতে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

৬। পুনর্মূল্যায়ন হবে বাণিজ্য কৌশলের

পোশাক রপ্তানীকারকরা হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ইউরোপ, কানাডা বা পূর্ব এশিয়ার বাজারে বিকল্প খুঁজবে। আবার কিছু কারখানা হয়তো আরও উচ্চমূল্যের, পরিবেশবান্ধব বা বিশেষায়িত পণ্যের দিকে ঝুঁকবে, যাতে শুল্কের প্রভাব কম হয়।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানীকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে আগে বাংলাদেশি পোশাকের ওপর ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৩২ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক কার্যকর ছিল। নতুন ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক যুক্ত হওয়ায় এখন মোট শুল্ক দাঁড়াচ্ছে ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৫২ শতাংশ পর্যন্ত।

তিনি বলেন, “এই বাড়তি শুল্কে আমাদের প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হবে, তবে ভারত ও ভিয়েতনামও একইভাবে নতুন শুল্কের আওতায় পড়েছে, যা আমাদের জন্য কিছুটা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করেছে।”

বাংলাদেশের জন্য কী অর্থ বহন করে এই সিদ্ধান্ত?

বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান পোশাক রফতানিকারক দেশ। ফলে এই সিদ্ধান্ত সরাসরি বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতকে প্রভাবিত করবে। তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ বলছে, এই বাড়তি শুল্কের ফলে মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়বে। তবে চীনের ওপর কঠোর শুল্ক থাকায় বাংলাদেশ কিছুটা বাড়তি বাজার পেতে পারে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক অর্থনীতিবিদ ড. ফাহমিদা খাতুন মনে করেন, এটি বাংলাদেশের জন্য যেমন চ্যালেঞ্জ, তেমনি একটি সম্ভাবনার জানালাও। চীনের বিকল্প খুঁজতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নতুন উৎসের দিকে তাকাবে, যেখানে বাংলাদেশ অন্যতম হতে পারে।

বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত অনেকাংশেই বাংলাদেশের জন্য খুশির খবর। যুক্তরাষ্ট্রে চীনের বাজার হারানোর সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় প্রথমে ভারতকে সেই শূন্যস্থান পূরণে এগিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে আমাদের চেয়ে ভারতের ওপর বেশি শুল্ক নির্ধারণ হয়েছে—২৫ শতাংশ। এর মানে, মার্কিন ক্রেতারা বাংলাদেশকেই চীনের বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন।

তিনি বলেন, আমরা যদি দ্রুত উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারি, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি এবং সময়মতো পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমাদের রফতানি অনেক বাড়বে। বাংলাদেশের রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানির সবচেয়ে বড় বাজার। বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি হয় দেশটিতে। বিপরীতে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে।

তবে প্রতিযোগী দেশও কম নয়

ভিয়েতনাম, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো—এদের অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বড় অংশীদার হতে আগ্রহী। তারা ইতোমধ্যে উৎপাদন দক্ষতা, দ্রুত ডেলিভারি ও বৈচিত্র্যময় পণ্য সরবরাহে অগ্রসর। ফলে বাংলাদেশের জন্য প্রতিযোগিতা বাড়বে।

বাংলাদেশকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। বাণিজ্য নীতিমালা ঢেলে সাজানো, উৎপাদনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং বৈচিত্র্য আনা এখন সময়ের দাবি।

বিশ্বব্যাপী কী প্রভাব পড়ছে ট্যারিফের

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্কনীতির ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছে গাড়ি নির্মাতা, এয়ারলাইনস এবং ভোক্তা পণ্যের আমদানিকারকরা। ইলেকট্রনিক্স খাতেও উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন খাতও চাপের মুখে পড়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শুল্ক যখন ২০ শতাংশ বা তার বেশি হয়, তখন অনেক আমদানিকারকই বড় সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। বিনিয়োগ কমে যায়, কর্মসংস্থান স্থবির হয়। ফলে সামগ্রিক অর্থনীতি মন্থর হয়ে পড়ে।

খবরওয়ালা/এমএজেড