অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
পর্তুগালে জনসমক্ষে বোরকা ও নিকাব পরা নিষিদ্ধ করার একটি আইন পাস হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির সংসদে ডানপন্থি রাজনৈতিক দল চেগা এ সংক্রান্ত বিলটি উপস্থাপন করে। সমালোচকদের মতে, আইনটি মূলত মুসলিম নারীদের লক্ষ্য করেই আনা হয়েছে।
বিল অনুযায়ী, কেউ ‘ধর্মীয় বা লিঙ্গজনিত কারণে’ মুখ ঢেকে রাখতে পারবেন না। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে বিমান, উপাসনালয় ও কূটনৈতিক স্থাপনায় মুখ ঢেকে রাখা যাবে।
আইন ভঙ্গের ক্ষেত্রে ২০০ থেকে ৪,০০০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩ হাজার থেকে ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
তবে আইনটি এখনও কার্যকর হয়নি। প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো দে সোসা এ আইনটিতে স্বাক্ষর করবেন কি না, তা এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি চাইলে এটি অনুমোদন বা বাতিল করতে পারেন।
যদি প্রেসিডেন্ট অনুমোদন দেন, তবে পর্তুগাল ইউরোপের অন্যান্য দেশ—ফ্রান্স, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া ও নেদারল্যান্ডসের মতো বোরকা নিষিদ্ধ দেশগুলোর তালিকায় যুক্ত হবে।
যদিও পর্তুগালে খুব কমসংখ্যক নারী বোরকা বা নিকাব ব্যবহার করেন, তবুও বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
চেগা দলের দাবি, মুখ ঢেকে রাখা নারীদের স্বাধীনতা ও মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে।
অন্যদিকে বামপন্থি এমপি পেদ্রো দেলগাদো আলভেস বলেন, এই বিল আসলে বিদেশি ও মুসলিম নারীদের লক্ষ্য করে আনা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
খবরওয়ালা/শরিফ