খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫ কক্সবাজারের চার শতাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পর্যায়ক্রমে বদলি করা হয়েছে। এই বদলি ১৯ থেকে ২৭ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে তিন দিন আগে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল ইসলামকে ঢাকার র্যাব সদর দপ্তরে বদলি করা হয়েছে।
র্যাবের এক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সূত্রটি আরও বলেছে, কক্সবাজার জেলা সমুদ্রসীমা এবং মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই কক্সবাজারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অন্য জেলার ব্যাটালিয়নের মতো নয়, এককভাবে একটি ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করছে।
র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান জানিয়েছেন, এটি নিয়মিত বদলির অংশ এবং যদি কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে ইয়াবা কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ কিছু র্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে উঠেছে। এক মাস ধরে এই সদস্যদের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছিল। এই গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল ইসলাম ও উপ-অধিনায়কসহ অন্য কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে র্যাব-১৫-এ অন্যান্য ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে, যাতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে র্যাবের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করার পাশাপাশি কক্সবাজারের নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হচ্ছে।