খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে করে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ আজ বুধবার সকাল এগারোটার কিছু মিনিটে গুলশান থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জানাজার জন্য নেওয়া হচ্ছে। দেশব্যাপী শোকের ছায়া নেমেছে এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষ সকাল থেকেই জানাজায় অংশ নিতে অবস্থান করছেন।
খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী গাড়িবহর বেলা ১১টা ০৪ মিনিটে তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে বের হয়। গাড়িবহরে লাল-সবুজ রঙের বিশেষ বাসও রয়েছে। তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা জানাজাস্থলে যাচ্ছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং খালেদা জিয়ার অন্যান্য স্বজনরা গাড়িবহরে উপস্থিত আছেন।
জানাজা শেষে খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সকাল থেকেই জনস্রোত লক্ষ্য করা গেছে। বিএনপির নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ দলে দলে পৌঁছেছেন। সরেজমিনে সকাল সাড়ে দশটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের মাঠ, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের মূল সড়ক এবং ফার্মগেটের খামারবাড়ি এলাকার মোড়সহ আশপাশের সড়কে জনস্রোতের চিত্র দেখা গেছে।
নীচের টেবিলে জানাজায় উপস্থিতি ও গাড়িবহরের প্রধান তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| মরদেহ বহনের সময় | ১১:০৪ বেজে বের হয় গুলশান থেকে |
| গাড়িবহরের সংখ্যা | প্রধান গাড়ি ও লাল-সবুজ রঙের বাসসহ |
| উপস্থিত পরিবারের সদস্য | তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান, জাইমা রহমান, আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী, অন্যান্য স্বজন |
| বিএনপির প্রতিনিধি | স্থায়ী কমিটির সদস্যরা |
| জানাজার স্থান | মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ |
| দাফনের স্থান | জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে |
জানাজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৎপরভাবে পরিচালিত হচ্ছে, এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলাকায় নিয়ন্ত্রিত অবস্থানে রয়েছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া ব্যাপকভাবে বিরাজ করছে। বিভিন্ন বয়সী মানুষ, নারী ও পুরুষ, সকলে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়ি দেখার জন্য এবং শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য উপস্থিত হয়েছেন।
এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী নেত্রীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হচ্ছে, যার প্রভাব রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে দীর্ঘকাল অনুভূত হবে।