খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি ২০২৬
ভিয়েতনাম সরকার ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দেশের স্বাস্থ্য বীমা ব্যবস্থার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রসারণ কার্যকর করতে যাচ্ছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রায়-দরিদ্র (near-poor) পরিবারের সদস্য ও সামাজিক পেনশনভোগী ৭৫ বছর এবং তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার ও চিকিৎসার খরচ সম্পূর্ণভাবে ফেরত পাবেন।
এই সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে গৃহীত একটি রেজোলিউশনের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সম্প্রসারিত এই সুবিধার মূল লক্ষ্য হল ক্ষীণ অর্থনৈতিক ক্ষমতার মানুষ এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্যতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক চাপ হ্রাস করা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৬ জানুয়ারি জরুরি নোটিশ প্রেরণ করেছে। নোটিশটি ভিয়েতনাম সামাজিক সুরক্ষা অধিদপ্তর, রাজস্ব মন্ত্রণালয় এবং দেশজুড়ে সকল প্রাদেশিক ও মহানগর স্বাস্থ্য বিভাগ এবং চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। এতে নতুন যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য সুবিধার কোড দ্রুত আপডেট করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিবর্তন অনুযায়ী, প্রায়-দরিদ্র পরিবারের স্বাস্থ্য বীমা কার্ডধারীরা ১ জানুয়ারি থেকে চিকিৎসা খরচের ৯৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত রembolso পাবেন।
নিচের টেবিলে সম্প্রসারিত স্বাস্থ্য বীমার মূল সুবিধা এবং প্রযোজ্য গোষ্ঠী সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:
| সুবিধা | যোগ্য গোষ্ঠী | পূর্বের কভারেজ | নতুন কভারেজ কার্যকর তারিখ |
|---|---|---|---|
| চিকিৎসা ও পরীক্ষা খরচ ফেরত | প্রায়-দরিদ্র পরিবার | ৯৫% | ১০০% (১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে) |
| চিকিৎসা ও পরীক্ষা খরচ ফেরত | ৭৫+ প্রবীণ পেনশনভোগী | ৯৫% | ১০০% (১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে) |
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই পরিবর্তন স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করবে এবং গরিব ও প্রবীণদের আর্থ-সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, স্বাস্থ্যসেবার খরচ কম হওয়ায় চিকিৎসা গ্রহণে মানুষ আরও উৎসাহী হবে, যা জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভিয়েতনাম সরকারের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবিত জনগোষ্ঠীও স্বাস্থ্যসেবা থেকে সমানভাবে সুবিধা নিতে পারবে, যা দেশের সামাজিক ন্যায় এবং সমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।