বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, দলের আগামী মন্ত্রিসভা নবীন ও প্রবীণ নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত হবে।
আজ সোমবার দুপুরে রাওয়া ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল (অব.) এম.এ.জি. ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় মেজর হাফিজ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ও আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, যারা জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন এবং দুর্নীতির ইতিহাস নেই, তারাই আগামী মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন। আমাদের মন্ত্রিসভা হবে নবীন-প্রবীণ নেতাদের সমন্বয়ে।”
তিনি আরও বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি দেশের জনগণ দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। যদি কেউ দেশকে বিপথে ঠেলতে চায়, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করব।”
মেজর হাফিজ দেশের সামরিক বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “দেশের দুর্দিনে তাদের সহায়তা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়া সম্ভব হতো না।”
তিনি আগামী সংসদে বিএনপি ও ১১ দলের জোটের বিরোধী ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, “আমরা কার্যকরী বিরোধী দল হিসেবে আমাদের দায়িত্ব পালন করব। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুদৃঢ় করতে আমাদের জোটের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য।”
মন্ত্রিসভায় নেতাদের বাছাই প্রক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত রূপরেখা নিচের টেবিলে দেওয়া হলো:
| মানদণ্ড | বিবরণ |
|---|---|
| যোগ্যতা | ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা |
| আস্থা | জনগণের মধ্যে প্রমাণিত বিশ্বাসযোগ্যতা |
| সততা | দুর্নীতির ইতিহাস নেই এমন নেতৃবৃন্দ |
| সমন্বয় | নবীন ও প্রবীণ নেতাদের মধ্যে ভারসাম্য |
| দায়িত্ব | সংসদে কার্যকরী বিরোধী ভূমিকা পালনের সক্ষমতা |
মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদের কথায়, নতুন মন্ত্রিসভা হবে দেশের জন্য কার্যকর, জনকল্যাণমুখী এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দলের নেতৃত্ব আগামীতে দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন।
আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি রক্ষা ও ভবিষ্যতে জনকল্যাণমুখী নীতি গ্রহণের গুরুত্বে একমত হন।