খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্বিতীয় দিনই সচিবালয়ে পৌঁছান। নিজ দফতরে আগমনের পর তিনি তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এই বৈঠক দেশের সামরিক ও প্রশাসনিক নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় এবং পরস্পরের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন:
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য উপস্থিত ছিলেন তাঁর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম।
সাক্ষাতের আগে সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এই প্রথাগত স্বাগত অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রীর অফিস কার্যক্রমের সুচনা হিসেবে ধরা হয়।
এই সভা মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কেন্দ্রিত ছিল:
সামরিক বাহিনীর বর্তমান সক্ষমতা ও প্রস্তুতি যাচাই
রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতি নিয়ে আলোচনা
প্রশাসনিক ও সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি
নিচের টেবিলে সাক্ষাতে উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তালিকা এবং তাদের পদবী প্রদর্শন করা হলো:
| পদবী | নাম | দায়িত্ব/সংস্থা |
|---|---|---|
| প্রধানমন্ত্রী | তারেক রহমান | বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী |
| সেনাবাহিনী প্রধান | জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান | বাংলাদেশ সেনাবাহিনী |
| নৌবাহিনী প্রধান | অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান | বাংলাদেশ নৌবাহিনী |
| বিমানবাহিনী প্রধান | এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন | বাংলাদেশ বিমানবাহিনী |
| প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা | ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম | প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (অব.) |
| মন্ত্রিপরিষদ সচিব | ড. নাসিমুল গনি | সচিবালয় |
| মুখ্য সচিব | এ বি এম আব্দুস সাত্তার | সচিবালয় |
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের নেতৃত্বের মধ্যে সুশৃঙ্খল সম্পর্ক এবং সামরিক প্রশাসনিক সমন্বয় বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি নতুন সরকারের নীতিমালা ও প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার সাথে সামরিক বাহিনীর সুসংগত মিলনের সূচনা হিসেবে দেখা যায়।
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক প্রমাণ করে যে প্রধানমন্ত্রী এবং তিন বাহিনী প্রধানের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং পরামর্শপ্রদান দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।