খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
সাম্প্রতিক কক্সবাজার ও গোপালগঞ্জের রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে বিশিষ্ট সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না বলেছেন, সরকার যে নির্বাচন চায় না, তা সবাই বোঝে। এমনকি সাধারণ মানুষও বোঝে। কিন্তু বিএনপি সেটা বুঝেও যেন না বোঝার ভান করছে। তারা নিজেরাই কখনো সরকারপন্থী বক্তব্য দিয়ে, কখনো প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে নিজেদের অবস্থান দুর্বল করছে। তারা বারবার ট্র্যাপে (ফাঁদে) পা দিচ্ছে।
সম্প্রতি বেসরকারি এক টিভি টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি।
পান্না বলেন, কক্সবাজারে যে সমাবেশে ভাঙচুর হয়েছে, তা নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা করেননি। সেই হামলা চালিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা, কারণ তাদের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে সভায় কটু মন্তব্য করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘যদি বিএনপির কোনো নেতাকে নিয়ে মন্তব্যে এমন প্রতিক্রিয়া হয়, তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বা নামে আঘাত এলে আওয়ামী লীগ কর্মীরা কেমন প্রতিক্রিয়া জানাবে, তা ভেবে দেখা উচিত।’
মঞ্জুরুল ইসলাম পান্না উল্লেখ করেন, কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে একটি সভায় এনসিপি নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমেদকে নব্য গডফাদার আখ্যা দিয়ে জমি দখল, চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন। তার এই বক্তব্যের পরই সভাস্থলে উত্তেজনা ছড়ায়। বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেন এবং অস্থায়ী মঞ্চটি ভাঙচুর করেন।
তবে সাংবাদিক পান্নার প্রশ্ন- ‘যারা নিহত হলো, যারা আহত হলো, সেই মানবিক বিপর্যয় নিয়ে বিএনপির কোনো নিন্দা নেই কেন?’
পান্না বলেন, ‘গোপালগঞ্জ এখন ১৪৪ ধারার আওতায়। কারফিউ জারি রয়েছে। আতঙ্কে এলাকা ফাঁকা। অথচ এসব নিয়ে বিএনপি একটিও বাক্য উচ্চারণ করছে না।’
তিনি আরও যোগ করেন, বিএনপি চাইলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারত। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, ১৮ বছর পরে নয়, আরো কত বছর লাগবে তারা ক্ষমতায় ফিরবে— তা বলা মুশকিল।
খবরওয়ালা/এমইউ