মঙ্গলবার, ২ই জুন ২০২৬, ১৯শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২ই জুন ২০২৬, ১৯শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু

প্রধান সংবাদ

বিএমইটিতে নির্ধারিত সময় শেষ হলেই শুরু হয় অনিয়মের অফিস

খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএমইটিতে নির্ধারিত সময় শেষ হলেই শুরু হয় অনিয়মের অফিস

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) বহির্গমন শাখা মূলত বিদেশগামী শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও বৈধ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে থাকে। এই শাখাটি ‘রেস্ট্রিকটেড এরিয়া’ বা সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ এবং প্রতিটি ফাইল যাচাই করা হয় নিয়ম মেনে। কিন্তু অফিসের নির্দিষ্ট সময় শেষ হলে চিত্র সম্পূর্ণ পাল্টে যায়। সন্ধ্যা নামতেই বিভিন্ন এজেন্সির লোকজনের আনাগোনায় স্থানটি সরগরম হয়ে ওঠে।

 সক্রিয় হয়ে ওঠে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। অনেক ক্ষেত্রে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা সরকারি কর্মকর্তাদের চেয়ারে বসে নিজেরাই কাজ সম্পন্ন করেন। একদিনে ৭৯টি ফাইল অনুমোদন, জাল ও সম্পাদিত পাসপোর্ট দিয়ে ছাড়পত্র—এসব কর্মকাণ্ডের প্রমাণ গণমাধ্যমের কাছে রয়েছে। অনেক এজেন্সির সৌদি আরবে কর্মী পাঠানোর অনুমোদন না থাকলেও তারা অসংখ্য শ্রমিক পাঠিয়েছেন। সহায়-সম্বল বিক্রি করে বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা প্রবাসীরা প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। সরকারি সার্ভারে এই অসাধু চক্রের অবাধ প্রবেশের কারণে নাগরিকদের তথ্যও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নিয়ম, নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার আড়ালে এই অনিয়ম বেড়েই চলেছে।

বিএমইটির বহির্গমন শাখা বৈধ চুক্তিপত্র যাচাই করে বিদেশগামী কর্মীদের ছাড়পত্র প্রদান করে। এই ছাড়পত্র না পেলে কেউ বিদেশে কাজ করতে যেতে পারে না। রিক্রুটিং এজেন্সির কার্যক্রম তদারকি, চুক্তির শর্ত বিশ্লেষণ এবং কর্মীদের অধিকার রক্ষা করাও এই শাখার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। তারা প্রতিটি বিদেশগামী কর্মীর তথ্য ডাটাবেজে সংরক্ষণ করে, যাতে ভবিষ্যতে সরকারিভাবে সহায়তা প্রদান সহজ হয়। জালিয়াতি বা ভুয়া কাগজপত্র শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণও বহির্গমন শাখার কাজের একটি অংশ। অনলাইন পরিষেবার মাধ্যমে সহজ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বহির্গমন ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়। এই কারণেই এত গুরুত্বপূর্ণ শাখাটি প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত বা ‘রেস্ট্রিকটেড এরিয়া’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বহির্গমন সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে তা জানানোরও একটি নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময় রয়েছে। বহির্গমন শাখার একজন কর্মকর্তা দিনের নির্দিষ্ট সময়ে বিএমইটির প্রশাসনিক ভবনে বসে সবার অভিযোগ শোনেন এবং তার প্রতিকারের ব্যবস্থা করেন।

তবে গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব নিয়মকানুন শুধু যারা বৈধভাবে কাজ করেন, তাদের জন্যই প্রযোজ্য। অন্যদিকে, একটি অসাধু প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এসব নিয়মকানুন উপেক্ষা করে নিজেদের খেয়ালখুশিমতো কাজ করে। এমনকি এই প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ কক্ষেও তারা অবাধে প্রবেশ করে। অফিস সময় শেষে সিন্ডিকেটের সদস্যরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তারা অবাধে প্রবেশ করে সরকারি কর্মকর্তাদের চেয়ার-টেবিলে বসে নিজেদের কাজ নিজেরাই সম্পন্ন করে। কোনো ধরনের নিয়ম না মেনেই তারা নিজেদের ফাইল অনুমোদন করিয়ে নেয়। আর এই চক্রের সঙ্গে বিএমইটির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা জড়িত থাকায় তদারকিও কার্যকর হয় না। এর ফলস্বরূপ বিদেশে পাড়ি জমানো শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এছাড়াও, সরকারি সার্ভারে অসাধু চক্রের অবাধ প্রবেশের কারণে নাগরিকদের তথ্য অনিরাপদ হওয়ার প্রবল ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ ধরনের বেশ কিছু ভিডিও গণমাধ্যম কালবেলার হাতে রয়েছে। গত জুলাই ও আগস্ট মাসে বিভিন্ন সময়ে ওই ভিডিওগুলো ধারণ করা হয়।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, টি-২০ ওভারসিজের (আরএল নম্বর: ১৪১৫) ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরজাহান আক্তার ‘প্রবেশ নিষেধ’ বহির্গমন শাখা থেকে বের হচ্ছেন। এই নুরজাহানের বিরুদ্ধে বিএমইটিতে নানা প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একাধিক মামলা রয়েছে। অন্য একটি ভিডিওতে দি ইফতি ওভারসিজের (আরএল নম্বর: ৮৯৪) ব্যবস্থাপনা অংশীদার মো. রুবেলকে বহির্গমন শাখায় প্রবেশ করতে দেখা যায়। এ সময় দরজার সামনে থাকা প্রহরী তাকে দরজা খুলে দেন। তাকওয়াহ ওভারসিজের (আরএল নম্বর: ১৯৪৫) ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজাউল করিমকে বহির্গমন শাখার ভেতরে দাঁড়িয়ে কাজ করতে দেখা যায়। এছাড়াও বিএমইটিতে এমএস মক্কা ওভারসিজের (আরএল নম্বর: ১১৭৫) মো. জামাল হোসেন এবং মিজান সলিউশন সার্ভিসের (আরএল নম্বর: ২৭৭৮) মো. মিজানুর রহমানেরও আধিপত্য রয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব এজেন্সি আইনকানুন না মেনেই শত শত কর্মীকে বিদেশে পাঠিয়েছে। এর মধ্যে মিজান সলিউশনের সৌদি আরবে কর্মী পাঠানোর অনুমোদনই নেই। তবুও তারা অসংখ্য কর্মীকে বিদেশে পাঠিয়েছে, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এমন কিছু কর্মীর পাসপোর্ট নম্বর হলো এ০১২০৯৪৬৬, এ১৪৪৭৪৪৩, এ০২৮৪২২৮০, এ০৩৭৬৮৪৮৩, এ০৫০৯০৪১১, এ০৫৯৮৬২৭৮, এ০৬৫৭৪৫৬৩, এ০৭৩২৪০৮৭, এ০৭৯৯১৫০২, এ০৮৬১৩৫৬০, এ০৮৬১৯৬০৭, এ০৮৯২৪৩৫৯, এ১২৪৮২৪৫৭, এ১৫৩১৮৭৯০, এ১৫৬৭২৬৬৭, এ১৬০৯৯৬৯০, এ১৬১২০৪৮৩, এ১৬২২৪৫৪৭, এ১৬৪৯৩৭৯২, এ১৬৮৯০২২৮, ইজে০৮৩৩৩৪১ ও ইএল০৭২৩২০১।

এ বিষয়ে মিজান সলিউশন সার্ভিসের মো. মিজানুর রহমান মোবাইল ফোনে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার লাইসেন্স ব্যবহার করে কে বা কারা কাজ করেছে, আমি জানি না। আমি নিজে সৌদি আরবে কোনো লোক পাঠাইনি। যারা এ কাজ করেছে, আমি তাদের খুঁজছি।’

চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি তার লাইসেন্স থেকে ২২ জন কর্মী সৌদি আরবের ছাড়পত্র পেল কীভাবে, এটি কে করেছে—এমন প্রশ্নে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। আপনার লাইসেন্সের আইডি পাসওয়ার্ড তো আপনার কাছেই থাকে, তাহলে অন্য লোক কীভাবে পাঠালো—এমন প্রশ্নে মিজানুর রহমান বলেন, ‘সেটাই তো কথা। আমি তাদের খুঁজছি, যারা এ কাজ করল।’

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বিএমইটিকেন্দ্রিক অসাধু সিন্ডিকেটের প্রধান নিয়ন্ত্রক টি-২০ ওভারসিজের নুরজাহান আক্তার এবং দি ইফতি ওভারসিজের মো. রুবেল। তারা নিজেদের এজেন্সির বাইরেও অন্তত ৫০টি এজেন্সির হয়ে দালালি করেন। নুরজাহান আক্তার একসময় বিএমইটির তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ছিলেন। চাকরিকালীন তিনি নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। এরপর দুদকের একটি মামলায় তিনি চাকরি হারান। চাকরি হারানোর পর তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। বিএমইটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে তিনি একটি ভয়ংকর মানব পাচার চক্র গড়ে তোলেন। নিয়ম না মেনে তিনি বিদেশে পাঠিয়েছেন এমন কিছু শ্রমিকের পাসপোর্ট নম্বর হলো এ০৮৪৩৮১৫০, এ১৩৪৮৯১৭৫, এ১৭৯৫১৮০৮, এ১৭৮১০৬৯০ ও এ১৭৯১৩৪৯৭।

অভিযোগের বিষয়ে নুরজাহান আক্তারকে একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

এই চক্রে নুরজাহানের অন্যতম সহযোগী হলেন দি ইফতি ওভারসিজের মো. রুবেল। বিএমইটিতে দুজনেরই অবাধ যাতায়াত রয়েছে। অন্যান্য এজেন্সি নিয়ম মেনে কাজ করতে গেলে দিনের পর দিন তাদের ঘোরাঘুরি করতে হয়। অথচ নুরজাহান-রুবেল নিজেরাই বহির্গমন শাখায় গিয়ে দিনে দিনে তাদের কাজ করিয়ে নেন। যেমন, গত ২০ মে নুরজাহান আক্তারের ৭৯টি ফাইল একই দিনে অনুমোদন (অ্যাপ্রোভ) করা হয়। একইভাবে গত ১৭ মার্চ রুবেলের দি ইফতি ওভারসিজ থেকে একই দিনে ২০টি ফাইল অ্যাপ্রোভ করা হয়েছে। এছাড়া, দি ইফতি ওভারসিজের মাধ্যমে ভুয়া পাসপোর্ট নম্বর বসিয়ে এডিট করা পাসপোর্ট দিয়েও নারী শ্রমিকদের বিদেশে পাঠানোর প্রমাণ পেয়েছে গণমাধ্যম। এমন কিছু পাসপোর্ট নম্বর হলো এ১১৫০০৬৩৭, এ১৪৭০৪৮৩২, বিআর০৮৬৯৮০২, এ১৭৪০৫৫৫১, একে০৬৯৯৩৪৫ ও ইকে০২৫১১৭২।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মো. রুবেল বলেন, ‘আমি অন্য কোনো লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ করি না। এ অভিযোগ মিথ্যা।’ তবে বহির্গমন শাখায় প্রবেশের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজের প্রয়োজনে আমরা পরিচালকের অনুমতি নিয়ে যাই। আমরা নিচে গিয়ে ফোন দিই, এরপর পরিচালক স্যার বললে ভেতরে যাই।’

রুবেলের বক্তব্যের সত্যতা জানতে যোগাযোগ করা হয় বিএমইটির বহির্গমন শাখার পরিচালক (উপসচিব) মো. তাজিম-উর-রহমানের সঙ্গে। তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কোনো সুযোগ নেই। আমাদের গেটম্যানটা দুষ্ট একটা গেটম্যান। সে কারণেই গেটম্যানকে বদলি করা হয়েছে। আমি আগামী রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) আবার গেটম্যানকে ডাকাব।’

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এমএস মক্কা ওভারসিজের গত ১৯ মার্চ ৯টি ফাইল অনুমোদন করা হয়। এই এজেন্সির বিরুদ্ধেও জাল ও ভুয়া এডিট করা পাসপোর্টে ছাড়পত্র দেওয়ার প্রমাণ মিলেছে। মক্কা ওভারসিজের মো. জামাল হোসেন জানান, তারা সব নিয়ম মেনেই কাজ করেন। এরপর বেশ কয়েকটি এডিটেড পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা তো হওয়ার কথা নয়। এগুলো কীভাবে হলো আমি বুঝতে পারছি না।’ এরপর তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আপনি এগুলো কীভাবে পেলেন?’

একই অভিযোগ তাকওয়াহ ওভারসিজের বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে এই পাঁচটি এজেন্সির নিয়মবহির্ভূতভাবে অনুমোদন করা শতাধিক পাসপোর্টের তথ্য গণমাধ্যমের হাতে রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তাকওয়াহ ওভারসিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজাউল করিমকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএমইটির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিএমইটিতে সবচেয়ে বেপরোয়া নুরজাহান আক্তার। তিনি আগে এখানে চাকরি করেছেন বলে কর্মকর্তারা চক্ষুলজ্জায় কিছু বলতেও পারেন না। ফাইল অনুমোদন না করলে তিনি কর্মকর্তাদের রুমে গিয়ে বসে থাকেন। দুদক এই নুরজাহানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও করেছে। তবে লাভ হচ্ছে না। এই চক্রকে এখনই থামানো দরকার।’

এ বিষয়ে ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল ইসলাম হাসান বলেন, ‘স্পর্শকাতর তথ্য আছে বলেই তো ওই বিভাগটি সংরক্ষিত করা হয়েছে। এখন সংরক্ষিত কক্ষে যদি অবাধ যাতায়াত থাকে, তাহলে তো সেটি আর সংরক্ষিত থাকল না। এরপর সরকারি কর্মকর্তাদের চেয়ার-টেবিলে বসে যদি কিছু মানুষ কাজ করে, তাহলে সেটি আরও উদ্বেগের বিষয়। আমি বলব, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে কেউ অবৈধ সুবিধা নিলে তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত। তবে এ ধরনের কাজ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ছাড়া একদমই সম্ভব নয়। অনিয়মের সঙ্গে যদি খোদ কর্মকর্তারাই জড়িত থাকেন, তাহলে ব্যবস্থাটা কে নেবে?’

গত ১ সেপ্টেম্বর বিএমইটির মহাপরিচালক সালেহ আহমদ মোজাফফর নিজ কার্যালয়ে বিস্তারিত শুনে এবং বহির্গমন শাখায় প্রবেশের ভিডিও দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকজন কর্মকর্তাকে ফোন করে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িতদের চিহ্নিত করার কথাও বলেন তিনি। সূত্র: কালের কন্ঠ

খবরওয়ালা/টিএসএন