খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 3শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ১৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন না। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে ভারতের সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। আজ রোববার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণকারী:
ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রিও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করে, যা আমাদের দুই দেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছে।”
বাংলাদেশে বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। ভারত এই গণতান্ত্রিক উত্তরণকে স্বাগত জানিয়েছে এবং নতুন সরকারের লক্ষ্য ও মূল্যবোধকে দেশের জনগণের ব্যাপক সমর্থন লাভের প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। দলটির নবনির্বাচিত সরকার আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ করবে।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ১৩ দেশের সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি এই আমন্ত্রণ পেয়েছেন গত শনিবার।
আন্তর্জাতিক আমন্ত্রণপ্রাপ্ত দেশের তালিকা:
| দেশ | প্রতিনিধি / মন্তব্য |
|---|---|
| ভারত | লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা |
| চীন | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| পাকিস্তান | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| সৌদি আরব | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| তুরস্ক | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| সংযুক্ত আরব আমিরাত | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| কাতার | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| মালয়েশিয়া | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| ব্রুনেই | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| শ্রীলঙ্কা | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| নেপাল | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| মালদ্বীপ | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
| ভুটান | সরকারপ্রধান/প্রতিনিধি |
বাংলাদেশের নতুন সরকার শপথের মাধ্যমে দেশকে সুশৃঙ্খল ও গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথ এগিয়ে নেবে বলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আশাবাদী ভাবনা প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলির মাধ্যমে আরও দৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ হবে।
নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেবল রাজনৈতিক নয়, অঞ্চলীয় স্থিতিশীলতা এবং দক্ষিণ এশিয়ার গণতান্ত্রিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছে।