খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর এলাকায় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক মাদককারবারি হামলায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রতন চন্দ্র হাওলাদার আহত হয়েছেন। আহত এসআই বর্তমানে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাঁঠালিয়া থানার একটি বিশেষ টিম মাদকবিরোধী অভিযানে নামলে অভিযুক্ত সুজন হাওলাদার (৩০) আটক করা হয়। সুজন কাঁঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর ইউনিয়নের সোবাহান হাওলাদারের ছেলে। তবে আটককালে তিনি আচমকাই হামলা চালিয়ে এসআই রতন চন্দ্র হাওলাদারের হাতে কামড় দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুজনকে আট পিস ইয়াবাসহ ধাওয়া করে আটক করে।
কাঁঠালিয়া থানার ওসি আবু নাছের রায়হান বলেন, “আসামিপ্রতি মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। আহত পুলিশ সদস্যকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ধরনের মাদক বাণিজ্য চেচরীরামপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছে। পুলিশের নিয়মিত অভিযান ও র্যাপিড রেসপন্স টিমের কার্যক্রম এই ধরনের অপরাধ দমন করতে সাহায্য করছে।
এ ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্য নিচের টেবিলে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| আহত কর্মকর্তা | রতন চন্দ্র হাওলাদার, এসআই, কাঁঠালিয়া থানা |
| ঘটনার স্থান | চেচরীরামপুর, কাঁঠালিয়া উপজেলা, ঝালকাঠি |
| সময় ও তারিখ | মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, দুপুর |
| অভিযুক্ত | সুজন হাওলাদার, বয়স ৩০, সোবাহান হাওলাদারের ছেলে |
| আটক পদার্থ | ৮ পিস ইয়াবা |
| মামলা | মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন |
| চিকিৎসা | স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা, অবস্থা স্থিতিশীল |
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরেজমিন তৎপরতা বজায় রাখছে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা বলছেন, “মাদক সন্ত্রাস এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় আশা করি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।”
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে যে, সামান্য নিরাপত্তা শিথিলতা থেকেও পুলিশ সদস্যরা বিপদে পড়তে পারেন। ফলে, মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালীন সবসময় সতর্কতা ও সমন্বিত পদক্ষেপ অপরিহার্য।
এভাবে, ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় মাদককারবারের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধ দমনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।