খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: ২৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৪:১৭ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সালিশ চলার মধ্যেই সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুটি পক্ষ। এতে প্রাণ গেছে আমির আলী (৪০) নামে এক যুবকের। এর জের ধরে তাঁর স্বজনরা প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার দাতমণ্ডল গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়।
নিহত আমির ওই গ্রামের মো. রফিজ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সপ্তাহখানেক আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জে সুজন মিয়ার ব্যাগ তৈরির কারখানায় গিয়ে তাঁর এক কর্মচারীকে মারধর করেন একই গ্রামের লাফিলুদ্দির ছেলে সাকিল। এ নিয়ে সুজনের সঙ্গে সাকিলের তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়। এরপর তারা নাসিরনগরের বাড়িতে ফিরে আসেন। দুজনের বিরোধ মীমাংসায় বুধবার বিকেলে দাতমণ্ডল গ্রামে সালিশ বসে। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও তর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়। এ সময় আমির আলী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমিরের স্ত্রী রুফেসা বেগমের অভিযোগ, ‘ঘরে ঢুকে চার-পাঁচজন মিলে আমার স্বামীকে গলাটিপে হত্যা করেছে।’
এদিকে আমিরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামে উত্তেজনা দেখা দেয়। তাঁর স্বজনরা প্রতিপক্ষ জালাল উদ্দিনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট চালায়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, জালালের বাড়ি থেকে ১৩টি গরু নিয়ে যায় হামলাকারীরা। তারা আরও কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য সাকিল ও তাঁর বাবা লাফিলুদ্দির মোবাইল ফোনে দফায় দফায় কল দিয়েও সংযোগ মেলেনি।
নাসিরনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তানভীর আহমেদ বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
খবরওয়ালা/এসআর
মন্তব্য