মঙ্গলবার, ২ই জুন ২০২৬, ১৯শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২ই জুন ২০২৬, ১৯শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু

দেশ

মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শেই এগোবে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শেই এগোবে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো আদর্শিক পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বিশেষ পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে আয়োজিত এক বিশেষ ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য এবং বিপুলসংখ্যক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, দেশের ইতিহাসে সাম্প্রতিক প্রায় ১৮ মাস ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল সময়। এ সময় নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সেনাবাহিনী দায়িত্বশীলতার সঙ্গে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজ করেছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে। আমরা দেশের জনগণের পাশে থেকে যেকোনো সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুত।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে গণতান্ত্রিক ধারায় নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের আদর্শই হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পথনির্দেশনা—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধারা যে আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন, সেই আদর্শ আমাদের রাষ্ট্রগঠনের ভিত্তি।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা একাত্তরের রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণা করেন। তাঁরা যুদ্ধের কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা, আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সশস্ত্র বাহিনীর ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সেনাপ্রধান তাঁর বক্তব্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলো জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

অনুষ্ঠানে ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সেই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সেনা ও সাধারণ মানুষের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের আয়োজন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয় সংকটকালে সেনাবাহিনীর সময়োপযোগী ভূমিকারও প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ করে সেনাপ্রধান বলেন, “যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও আদর্শ জাতির পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।”

নিচে মুক্তিযুদ্ধ ও সেনাবাহিনীর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো—

বিষয় তথ্য
স্বাধীনতার বছর ১৯৭১
মুক্তিযুদ্ধের সময়কাল প্রায় ৯ মাস
শহীদের আনুমানিক সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হাজারো মুক্তিযোদ্ধা স্থায়ীভাবে আহত
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত

বিশ্লেষকদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে সামনে রেখে রাষ্ট্র পরিচালনার অঙ্গীকার দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও সুদৃঢ় করতে পারে। মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের ইতিহাসকে সম্মান জানিয়ে রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠান যদি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে, তবে বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বমঞ্চে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।