খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এক কনস্টেবল গ্রেপ্তার হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ জুলাই) অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে ধর্মপাশা চৌকি আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াজুল কাউসার।
সোমবার (৩০ জুন) রাতে এক তরুণী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মামলাটি করেন।
গ্রেপ্তার আইনুল হক (২৮) ধর্মপাশা থানায় কর্মরত। তাঁর বাড়ি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ইসলামপুর দুভাগ গ্রামে। ভুক্তভোগী তরুণী নেত্রকোনার একটি কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষার্থী দিচ্ছেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে তরুণীর সঙ্গে কনস্টেবল আইনুল হকের পরিচয় হয়। এরপর দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মুঠোফোনে যোগাযোগের পাশাপাশি তাঁরা দেখা করতেন। গত ২৬ জুন তরুণী ধর্মপাশা উপজেলার মহদীপুর স্পিডবোট ঘাটে যান। সেখান থেকে তাঁকে সুনামগঞ্জ শহরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যান আইনুল। হোটেলে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ভুয়া তথ্য দিয়ে কক্ষ ভাড়া নেন। পরদিন দুপুর পর্যন্ত বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন আইনুল। ২৮ জুন পরীক্ষা শেষে তরুণী বিয়ের কথা বললে আইনুল যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ২৯ জুন রাতে তরুণী ধর্মপাশা থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনাটি জানান।
এসব অভিযোগের বিষয়ে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ধর্মপাশা থানায় আইনুল হক বলেন, ‘আমার ভুল হয়েছে। আমি তাঁকে বিয়ে করতে রাজি। আমার প্রথম স্ত্রীও এতে সম্মতি দিয়েছেন।’
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক জানান, আইনুল হকের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছে। এ মামলায় আয়নালকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে সুনামগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবরওয়ালা/এন