খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মালয়েশিয়ার জোহরের পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে মোট ১৩৫ জন বিদেশি অভিবাসীকে তাদের নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। এই অভিযান দেশের অভিবাসী নিয়ন্ত্রণ নীতি এবং আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১১২ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ১১ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক, ৯ জন বাংলাদেশের নাগরিক, ২ জন শ্রীলঙ্কার নাগরিক এবং ১ জন কম্বোডিয়ার নাগরিক রয়েছেন। প্রত্যেকেরই মালয়েশিয়ায় থাকার বৈধ অনুমতি ছিল না বা বিভিন্ন অভিবাসন ও শুল্ক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত।
প্রত্যাবাসনের জন্য কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (KLIA-1 ও KLIA-2) এবং পাসির গুদাং ফেরি টার্মিনাল ব্যবহার করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রত্যাবাসিত বন্দিরা টর্চার আইনসহ বিভিন্ন শুল্ক এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের কারণে সাজা ভোগ করেছেন। তাদের সকলের নাম ইমিগ্রেশন বিভাগের ব্ল্যাকলিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত তারা মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশের সুযোগ পাবেন না।
জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের নিয়মিত প্রত্যাবাসন কার্যক্রম দেশের অভিবাসী নিয়ন্ত্রণ এবং আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাইনঅ্যাপল টাউন ডিটেনশন ডিপো বন্দিদের দণ্ডপ্রাপ্তির পর নিরাপদভাবে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করছে।
নিচের টেবিলে দেশের ভিত্তিতে প্রত্যাবাসিত অভিবাসীর সংখ্যা তুলে ধরা হলো:
| দেশ | সংখ্যা (জন) | মন্তব্য |
|---|---|---|
| মিয়ানমার | ১১২ | সর্বাধিক সংখ্যক |
| ইন্দোনেশিয়া | ১১ | |
| বাংলাদেশ | ৯ | |
| শ্রীলঙ্কা | ২ | |
| কম্বোডিয়া | ১ | |
| মোট | ১৩৫ |
ইমিগ্রেশন বিভাগ আরও জানিয়েছে, এই ধরনের অভিযান অভিবাসীদের বৈধতা যাচাই, দেশের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে অবৈধভাবে অবস্থানরত বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের মতে, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এই ধরনের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম চালিয়ে বিদেশি অভিবাসীদের মালয়েশিয়ার আইন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা হবে। এতে স্থানীয় জনগণ ও দেশের নিরাপত্তা সংরক্ষিত থাকবে।