খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 27শে মাঘ ১৪৩০ | ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | 1148 Dhu al-Hijjah 5

ইবি প্রতিনিধি ॥ ‘হোক তবে ঝংকার, তারপর হবো ইতিহাস’ স্লোগানে উচ্ছ্বাস-আনন্দে, বর্ণিল উৎসবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পালিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬ তম ব্যাচ ‘সংবর্ত-৩৬’ শিক্ষার্থীদের ব্যাচ ডে। বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারী) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ব্যাচ ডে উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা, কেক কাটা, ফ্ল্যাশমব, কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্পণের দিনটি স্মরণীয় করতে রাখতে পদার্পণের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই বর্ণিল আয়োজন করে সংবর্ত-৩৬ এর শিক্ষার্থীরা। ব্যাচ ডে উপলক্ষে সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তন থেকে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিয়ে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে সমবেত হয়। সেখানে ফ্ল্যাশমব উৎসবে অংশ নেয় প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী। পরবর্তীতে কালার ফেস্ট শেষে এক প্রীতিভোজ-এ অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ভাগে এসে ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত বাংলায় নাচ, গান, অভিনয়সহ এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ‘ওয়েভ দা ব্যান্ড’ এর পরিবেশনায় কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও আয়োজনের শেষে র্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। সংবর্ত-৩৬ ব্যাচের কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহানা বলেন, আজকের এই দিনটি এতো সুন্দরভাবে উদযাপন করতে পারছি বলে খুব আনন্দ হচ্ছে। ব্যাচের সবাই একইদিনে একসাথে একত্র হওয়াটা সবসময় হয়ে উঠে না। আজকের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমাদের একটা মিলনমেলা হয়ে গেলো। সকাল থেকে সন্ধ্যা দিনব্যাপী এই আয়োজন সত্যিই উপভোগ করার মতো। ব্যাচ ডে উদযাপন কমিটির সমন্বয়ক মারুফ হাসান বলেন, সকলের সহযোগীতায় আমরা সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে, কোনরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত করতে পেরেছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং অন্যান্য ব্যাচের ভাইবোনেরাও আমাদের সার্বিক সহযোগীতা করেছে। আমরা আশা করবো আগামী ৪ বছরও আমরা এভাবেই ক্যাম্পাসের সবাইকে বিভিন্ন আয়োজন উপহার দিতে পারবো। আয়োজক কমিটির আহবায়ক মাহমুদুল হাসান মাফি বলেন, আজকের আয়োজনটি করতে আমরা দিনরাত যে পরিশ্রম করেছি তা সার্থক মনে হচ্ছে। আমরা ব্যাচ-ডে পালনের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসের সর্ববৃহৎ গ্রাফিতি অঙ্কন করেছি। কেক কাটা, র্যালি, ফ্ল্যাশমব আয়োজিত হয়েছে। আমি চাইবো এইরকম আয়োজন যেনো ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। আশাকরি সংবর্ত-৩৬ সবসময়ই এই ক্যাম্পাসকে স্পেশাল কিছু উপহার দিবে।