শনিবার, ১ই আগস্ট ২০২৬, ১৭শে শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১ই আগস্ট ২০২৬, ১৭শে শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হামের প্রকোপে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭২ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা টঙ্গীতে ১০ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার কলাবাগানের হোস্টেল থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটজন গ্রেফতার রাবিতে আম্মারকে ঘিরে বিতর্ক, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ মিরপুরে কলেজের দেয়াল ধসে নারীর মৃত্যু সারা দেশে ৮৮ দিনে পুলিশের চিরুনি অভিযান: গ্রেপ্তার লক্ষাধিক, বিপুল অস্ত্র ও মাদক জব্দ মেকআপ আর্টিস্টকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা: ফটোগ্রাফারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রধান সংবাদ

সরকার এখন মবনির্ভর শাসনের পথে হাঁটছে: আনিস আলমগীর

খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩ই জুন ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম

সরকার এখন মবনির্ভর শাসনের পথে হাঁটছে: আনিস আলমগীর

সরকার যখন রাষ্ট্রের ভেতরে মবতন্ত্রের বিস্তার ঘটায়, তখন বিচার কিংবা প্রতিবাদের ভাষা গণতন্ত্রের অংশ থাকে না; তা পরিণত হয় ভয়ের রাজনীতিতে। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসনামলে এই মবতন্ত্র যেন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। রাষ্ট্র যখন উগ্র ও অশিক্ষিত জনতাকে রাস্তায় নামিয়ে নিজের স্বার্থ রক্ষা করে, তখন তার পতন শুরু হয় বোধ ও বুদ্ধির বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে।

এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করা মানে আত্মপ্রবঞ্চনায় ডুবে থাকা। সম্প্রতি ঢাকার ধানমন্ডিতে এক প্রকাশকের বাসার সামনে সংঘটিত মব হিংসার ঘটনায় কয়েকজনকে পুলিশ আটক করেছিল। পরে জানা যায়, তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী। যদিও তাদের দল আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন করেনি, তবু দলের কেন্দ্রীয় নেতা হান্নান মাসুদ থানায় গিয়ে একজনকে মুক্ত করে আনেন। অবশ্য দল তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় এবং তিনি ‘ভুল হয়েছে’—এমন একটি গৎবাঁধা উত্তর দিয়ে পার পেয়ে যান।

দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক আনিস আলমগীর তার ইউটিউব চ্যানেল ‘আউটস্পোকেন আনিস আলমগীর’-এ এসব কথা বলেন।
 

তিনি বলেন, রংপুরেও একই চিত্র। জিএম কাদেরের বাসায় হামলার ঘটনায়ও আমরা একই রকম পরিস্থিতি দেখি। কয়েকজন হামলাকারীকে আটক করে যৌথবাহিনী নিয়ে গেলে, গভীর রাতে এনসিপির নেতা সারজিস আলম গিয়ে তাদের ছাড়িয়ে আনেন। বিএনপির এক নেতাও সেখানে গিয়েছিলেন পরিচয় দিতে, যদিও তিনি ছাড়িয়ে আনার কথা বলেননি।

এই সারজিস আলম আগের দিন ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে জিএম কাদেরের ওপর হামলার উসকানি দিয়েছিলেন। ঘটনার পর সেই স্ট্যাটাস মুছে ফেলা হয়েছে। পরে তিনি নতুন একটি পোস্ট দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেন এতটা তৎপরতা দেখাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় তাদের সহায়তা করেছে এবং তারা ‘আওয়ামী লীগের বি-টিম’।

এই দুটি ঘটনাই নয়, ৫ আগস্টের পর থেকে মবতন্ত্র নিয়মিত চলছে দেশের মধ্যে। ফেব্রুয়ারিতে ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং ধ্বংসের ঘটনা ঘটে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই স্থাপনাটির ওপর এমন হামলা মবতন্ত্রের সবচেয়ে বড় নিদর্শন। তবুও সরকার নীরব থেকেছে। এসব ঘটনা নিছক বিচ্ছিন্ন নয়।

এগুলো স্পষ্ট করছে—মব এখন একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক প্রকল্প। তারা হামলা করে, নেতারা গিয়ে তাদের ‘বীর’ বানিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। শুধু এনসিপি নয়, বিএনপি ও জামায়াতও এই মবতন্ত্রে অতীতেও যুক্ত ছিল, এখনো আছে। এটা বিচারহীনতার এক নতুন সংস্করণ নয় কি?

সরকারকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই—জনগণ ভুলে যেতে পারে, কিন্তু ইতিহাসের চোখ দীর্ঘকাল ধরে এসব দেখে। যারা উসকানিদাতা জনতার পিঠে চড়ে রাষ্ট্র চালাতে চায়, তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনে।

রাষ্ট্রের ভিত্তি গড়ে ওঠে নৈতিক নেতৃত্ব ও আইনের শাসনের উপর। কে কত বড় মব সংগঠিত করতে পারে, সেটাই রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের মানদণ্ড হতে পারে না।

এখনো সময় আছে—আশ্রয়ের রাজনীতি নয়, ফিরতে হবে বিচারের পথে। তবে মূল সংকট আরও গভীর।

আনিস আলমগীর বলেন,  এই সরকার তিনটি শক্তির জালে আটকে পড়েছে—প্রথমত মব, তারপর মিলিটারি, এবং এরপর মৌলভী।

প্রথমে মব: ঢাকা ও রংপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো প্রমাণ করে—সরকার এখন মবনির্ভর শাসনের পথে হাঁটছে। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে গ্রেপ্তারকৃতরা মুক্তি পাচ্ছে, যা মবকে আরও বেপরোয়া করে তুলছে।

যৌথবাহিনী যখন অভিযান চালায়, তখন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে তারা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে। রংপুরের ঘটনায় রাতেই আটক ব্যক্তিরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় মুক্ত হয়ে যায়। কোথাও কোথাও ছাত্র কিংবা উচ্ছৃঙ্খল নেতারা বাহিনীর সদস্যদের ধমক দিচ্ছে। এতে বাহিনীর মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

এক সময় এই বাহিনী হয়তো কোনো নির্দেশ ছাড়া কিছুই করতে পারবে না। তাদের নিজস্ব উদ্যোগ বলে কিছু থাকবে না—যেমনটা ব্যর্থ রাষ্ট্রগুলোতে দেখা যায়। তখন প্রশ্ন উঠবে—এই বাহিনী মাঠে থেকে কী লাভ? জনগণের কী কাজে আসছে?

তৃতীয় শক্তি, মৌলভী: ধর্মীয় বক্তারা বহুদিন ধরে সমাজে গুজব, হিংসা ও উত্তেজনা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ৫ আগস্টের পর এই হিংসা বুমেরাং হয়ে ফিরে আসছে। যারা এক সময় ‘বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু’ করতো, তারাই এখন বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে কথা বলছে। তারা নিজেদের বক্তব্য উল্টে দিচ্ছে। ড. ইউনূসকে নিয়ে সুদখোরসহ কত আজেবাজে মন্তব্য করা হয়েছে—এখন আবার সেগুলোর বিপরীত ভাষা ব্যবহার করছে।

এই মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরকার কখনো নীরব দর্শক, আবার কখনো তাদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিচ্ছে। এই দ্বিচারিতা চলতে থাকলে সমাজে বিভাজন বাড়বে এবং তা বাড়ছেও। সমাজে সম্প্রীতি, ঐক্য কিছুই অবশিষ্ট নেই। দলীয় বিভক্তি এমন জায়গায় পৌঁছেছে—একজন অন্যজনকে পারলে মেরে ফেলার মতো বিদ্বেষ পোষণ করছে।

এদিকে সরকার নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ নিয়ে সরকারের অবস্থান অস্পষ্ট—সরকার আসলে কী চায়, সেটাই পরিষ্কার নয়। ফলে মৌলবাদীদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। তারা একে অপরকে হুমকি দিচ্ছে, এবং মৌলবাদীদের সাহস আরও বেড়ে যাচ্ছে। কারণ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই, শুধু উদ্ভট কিছু বক্তব্য সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে।

ড. ইউনূস নোবেল বিজয়ী, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনা কোনো নোবেল প্রজেক্ট নয়। এখানে অভিজ্ঞতা, সুশাসন এবং দায়বদ্ধতার বিকল্প নেই।

নির্বাচিত সরকার থাকলে মবতন্ত্রের সুযোগ কম থাকে। তখন যেখানে-সেখানে সবাই মাতব্বর হতে পারে না। নির্বাচিত সরকারের অধীনে মিলিটারির সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকে এবং মৌলভীদের অযৌক্তিক দাবিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে যদি মব, মিলিটারি এবং মৌলভী একত্রে ছায়াশক্তি হয়ে প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাহলে প্রজাতন্ত্র অন্ধকারের দিকে হাঁটতে শুরু করে। 

ভিডিও লিংক: https://www.youtube.com/watch?v=siniHKGTP2Q

খবরওয়ালা/ এমএজেড

 

মন্তব্য