খবরওয়ালা মফস্বল ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের মাঝের দেওর গ্রামে এক তরুণীকে হাত-পা বেঁধে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে স্থানীয় পুলিশ বলছে, বিষয়টি রাজনৈতিক নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে পারিবারিক বিরোধের জের। শনিবার (২৮ জুন) রাতের এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ১৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি একটি তরুণীকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। তার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রয়েছে। ভিডিওর সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘আমার বাড়ি থেকে আমার কলিজা বউকে এভাবে মেরে হাত-পা বেঁধে নিয়ে গেছে। দেশবাসীর সহযোগিতা চাই।’— লিখেছেন কামাল গাজী নামের এক তরুণ।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মৌডুবী ইউনিয়নের বাইলাবুনিয়া গ্রামের শাখাওয়াত হোসেনের মেয়ে তন্নী এবং পাশের গ্রামের বাসিন্দা কামাল গাজীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক অসম্মতি সত্ত্বেও গত ২০ জুন তাঁরা পালিয়ে বিয়ে করেন এবং এরপর থেকে তন্নী স্বামীর বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
তবে তরুণীর পরিবার এই বিয়ে মেনে নেয়নি। ঘটনার দিন রাতে তন্নীর বাবা স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির সহায়তায় কামাল গাজীর বাড়িতে যান। তন্নী যেতে না চাইলে, তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে হাত-পা বেঁধে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারত হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি রাজনৈতিক নয়, পুরোপুরি পারিবারিক বিষয়। মেয়ের বাবা চাননি, তাঁর মেয়ে ছাত্রলীগকর্মী কামাল গাজীর সঙ্গে থাকুক। স্থানীয় গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে তাঁকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’
তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি বলেও জানিয়েছেন ওসি।
খবরওয়ালা/আরডি