খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৬ মে ২০২৬
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ দলের কয়েকজন ক্রিকেটার দারুণ পারফরম্যান্স করে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি অর্জন করেছেন। ব্যাট হাতে তাওহীদ হৃদয় ও বল হাতে শরীফুল ইসলামের পারফরম্যান্স ছিল বিশেষভাবে আলোচিত, যার স্বীকৃতি মিলেছে আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়েও।
সিরিজে তাওহীদ হৃদয় দুই ম্যাচে মোট ৮৪ রান করেন। প্রথম ম্যাচে তিনি একটি অর্ধশতক হাঁকান এবং তৃতীয় ম্যাচে করেন ৩৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। ধারাবাহিক ব্যাটিংয়ের সুবাদে তিনি সিরিজসেরার স্বীকৃতি অর্জন করেন। এর ফলে আইসিসি টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের র্যাংকিংয়ে তিনি দুই ধাপ এগিয়ে বর্তমানে ৩৭তম স্থানে অবস্থান করছেন।
বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাসও র্যাংকিংয়ে উন্নতি করেছেন। মিরপুরে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে ২৬ রানের ইনিংস খেলে তিনি এক ধাপ এগিয়ে এখন ৫২তম স্থানে রয়েছেন। অন্যদিকে র্যাংকিং তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা, যিনি ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন।
বল হাতে বাংলাদেশের বোলাররাও ভালো পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেয়েছেন। বিশেষ করে মেহেদী হাসান নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে এক ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ১৭তম স্থানে। তার এই অগ্রগতি দলের স্পিন আক্রমণকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে।
তবে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি এসেছে বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামের কাছ থেকে। তিনি একলাফে ৯ ধাপ উন্নতি করে এখন বোলারদের তালিকায় ৫৪তম স্থানে পৌঁছেছেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট এনে দেওয়া এবং কিপটে বোলিং তার এই অগ্রগতির মূল কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, সিরিজে অংশ না নেওয়ায় বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান এক ধাপ পিছিয়ে এখন ১২তম স্থানে নেমে গেছেন। যদিও তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের অন্যতম ভরসা হিসেবে পরিচিত।
| খেলোয়াড় | বিভাগ | পরিবর্তন | বর্তমান অবস্থান | বিশেষ অর্জন |
|---|---|---|---|---|
| তাওহীদ হৃদয় | ব্যাটসম্যান | +২ ধাপ | ৩৭তম | সিরিজসেরা |
| লিটন দাস | ব্যাটসম্যান | +১ ধাপ | ৫২তম | ২৬ রানের ইনিংস |
| মেহেদী হাসান | বোলার | +১ ধাপ | ১৭তম | নিয়ন্ত্রিত বোলিং |
| শরীফুল ইসলাম | বোলার | +৯ ধাপ | ৫৪তম | গুরুত্বপূর্ণ উইকেট |
| মোস্তাফিজুর রহমান | বোলার | -১ ধাপ | ১২তম | সিরিজে অনুপস্থিত |
নিউজিল্যান্ড সিরিজের এই পারফরম্যান্স বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সমন্বিত উন্নতি ভবিষ্যৎ সিরিজগুলোতে দলকে আরও আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।