খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের বরখাস্ত উপপরিদর্শক মো. শাহ আলমকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৩ মার্চ) দুপুরে খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
এক যুগ আগে খুলনা নগরীর খালিশপুরের মুজগুন্নী আবাসিক এলাকায় মিল্কি আইসক্রিম ফ্যাক্টরির মালিক মাসুদ হাসানের বাসার গৃহকর্মী সীমাকে হত্যা ও মরদেহ গুমের গল্প তৈরি করেছিলেন এসআই শাহ আলম। পরে পুলিশের আরেকটি দল সীমাকে জীবিত উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ চাওয়া ও হয়রানির অভিযোগে শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক।
মামলায় ১৬১ দণ্ডবিধিতে ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ৩ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ড এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৪ বছর কারাদণ্ড, ৪ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, নগরীর মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মিল্কি আইসক্রিম ফ্যাক্টরির মালিক মাসুদ হাসান ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন ২০০৯ সালে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার চর দৌলতপুর গ্রামের মৃত. ওলিয়ার রহমানের নয় বছরের মেয়ে সীমাকে তাদের বাসার কাজের জন্য নিয়ে আসেন। দীর্ঘদিন কাজ করার পর সীমা ওই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় মাসুদ হাসান খালিশপুর থানায় জিডি করলেও বিষয়টি ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য সীমার মা সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে গৃহকর্তা মাসুদ হাসান, মোহাম্মদ আলী খোন্দকার ও মো. মাসুদ শেখকে আসামি করে ২০১২ সালের ৭ মে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
খবরওয়ালা/এসআর